হাইকোর্টের রায় পেয়েই জায়েদ খান ছুটে এলেন বিএফডিসিতে সমিতির অফিসে, চেয়ারের টানে। কিন্তু চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যালয়ে তালা। যে তালার চাবি আবার নিপুণের কাছে! বিপরীতে জায়েদ খানকে অসহায় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে বিকালভর। অবশ্য তর সইছিলনা জায়েদের। তালা ভেঙেই সাধারণ সম্পাদকের চেয়ার দখলে নেন তিনি।
দিনের আলোর নেভার পর সেই তালা উধাও! রাত আটটায় সমিতির অদূরে জায়েদ খানের সংবাদ সম্মেলন চলাকালে তালা ভাঙলেন অজ্ঞাতরা। এরপর সংবাদ সম্মেলন শেষে সুচরিতা ও অরুণা বিশ্বাসকে নিয়ে জায়েদ খান সমিতিতে প্রবেশ করেন বিনা বাধায়।
চেয়ারে বসেই বললেন, ‘আমি তো জোর করে চেয়ারে বসিনি। শিল্পীদের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। আদালত থেকেও রায় পেয়েছি। তবুও আমাকে বারবার চাপে রাখার জন্য হয়রানি করার জন্য অন্য সংগঠনকে ব্যবহার করা হয়েছে। ১৮ সংগঠন আছে সমিতির উন্নয়নে কাজ করার কথা। কিন্তু তারা করেনি। কেন আমাকেই টার্গেট করা হয়েছে। জানি না।’
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে হাইকোর্টে চলা আইনি লড়াই চলাকালীন এফডিসিতে দেখা যায়নি চিত্রনায়ক জায়েদ খানকে। তবে বুধবার (২ মার্চ) নিজের পক্ষে রায় পাওয়ার পর এফডিসিতে ছুটে আসেন তিনি।
ঢেকে গেল নিপুণের ছবিঢেকে গেল নিপুণের ছবি
অন্যদিকে প্রযোজক সমিতিতে অবস্থান করছিলেন নিপুণ। দু’পক্ষের সমর্থক ও বহিরাগতদের অবস্থানে চলেছে পাল্টাপাল্টি শো ডাউন। হয়েছে পুলিশের লাঠিচার্জও। অবশেষে রাত ৮টা নাগাদ সমিতির ভেতরে অবস্থান নেন জায়েদ খান ও তার সমর্থকরা। এসময় সমিতির দেয়ালে ঝোলানো নির্বাচিতদের ব্যানারে থাকা নিপুণের মুখ ঢেকে দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, চিত্রনায়ক জায়েদ খানের প্রার্থিতা বাতিল করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের আপিল বোর্ডের দেওয়া সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বুধবার (২ মার্চ) রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানের বসতে আর কোনও বাধা রইলো না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।
বিপরীতে এমন রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছেন নিপুণ আক্তার।